অনেক সময় বিড়াল আমাদের কামড় বা আঁচড় না দিলেও, তার গায়ে হাত দিলে, তাকে কোলে নিলে বা তার সাথে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণেও কিছু রোগ সরাসরি ছড়াতে পারে। বিড়ালের ত্বক, লালা, চোখ বা কানের স্রাব এবং লোমের সরাসরি সংস্পর্শ থেকে মানুষের শরীরে নিচের রোগগুলো বাসা বাঁধতে পারে: দাদ বা রিংওয়ার্ম (Ringworm) এটি একটি অত্যন্ত সংক্রামক ফাঙ্গাল ইনফেকশন (ছত্রাকজনিত রোগ)। আক্রান্ত বিড়ালের গায়ের লোম বা ত্বক সরাসরি হাত দিয়ে স্পর্শ করলে এই ফাঙ্গাস মানুষের ত্বকে চলে আসে। এর ফলে মানুষের চামড়ায় গোল চাকার মতো লাল, খসখসে এবং তীব্র চুলকানিযুক্ত ক্ষত তৈরি হয়। ক্যাম্পাইলোব্যাক্টেরিওসিস (Campylobacteriosis) এটি একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। আক্রান্ত বিড়ালের শরীর বা মুখের লালা সরাসরি মানুষের হাতে লাগলে এবং সেই হাত না ধুয়ে খাবার খেলে এই ব্যাকটেরিয়া পেটে চলে যায়। এর ফলে তীব্র ডায়রিয়া, পেট কামড়ানো, বমি এবং জ্বর হতে পারে। সালমোনেলোসিস Salmonellosis-এটিও একটি অত্যন্ত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া। বিড়ালকে স্পর্শ করার পর হাত ভালো ভাবে পরিষ্কার না কোন খাবার খেলে এই ব্যাকটেরিয়া মানুষের পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ করে এবং টাইফয়েডের অনুরুপ রোগ স...
নতুনকে দেখা আর জানার ইচ্ছা আমার অনেক দিনের। আমার ইচ্ছা দুনিয়ার সমস্ত প্রাণী সম্পর্কে জানব। হোক সে দুনিয়ার উপরে বা মাটির নিচের অথবা পানির নিচের। সে স্বপ্ন নিয়েই আমার পথ চলা। সে ধারাবাহিকতাই আজ জানব অফুরন্ত বিস্ময়ের ভিড়ে সবচেয়ে অদ্ভুত আর নজরকাড়া এক প্রাণী সম্পর্কে যার নাম সি হর্স ( Sea Horse ) বা সমুদ্রঘোড়া । প্রাণীটিকে আমি প্রথম দেখি একটি ভিডিওতে, আমার মনেই হয়নি এটি কোনো মাছ । এর বিচিত্র গ ঠ ন ও অদ্ভুত লাইফস্টাইল যুগ যুগ ধরে আমার মত বিজ্ঞানীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছে । সি হর্স - নামকরণের ইতিহাস সি হর্সের বৈজ্ঞানিক নাম হলো Hippocampus । শব্দটা শুনতে বেশ ভারী মনে হলেও এর উৎপত্তি কিন্তু দারুণ । প্রাচীন গ্রিক ভাষার দুটি শব্দ—‘ Hippos’ ( যার অর্থ ঘোড়া) এবং ‘ Kampos ’ ( যার অর্থ সমুদ্রের দানব) মিলেই তৈরি হয়েছে এই নাম । আসলে , এই মাছগুলোর মাথা , বাঁকানো ঘাড় আর মুখের সম্মুখভাগ দেখতে হুবহু ডাঙার তেজী ঘোড়ার মতো । প্রকৃতির এই অদ্ভুত মিলের কারণেই সাধারণ মানুষ ভালোবেসে এর নাম দিয়েছে ‘সমুদ্রঘোড়া’ । শুধু সাধারণ মানুষই নয় , প্রাচীন গ্রিক ও রোমান রূপকথাতেও এর রোমাঞ্চকর গল্প রয়েছে । পৌর...