সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

গরুর ক্ষুরা রোগের কারণ, লক্ষণ ও ঘরোয়া প্রতিকার: খামারকে লোকসান থেকে বাঁচানোর সম্পূর্ণ গাইড

বিড়ালের সরাসরি সংস্পর্শে কি রোগ ছড়ায়? জানুন লক্ষণ ও প্রতিকার

  অনেক সময় বিড়াল আমাদের কামড় বা আঁচড় না দিলেও, তার গায়ে হাত দিলে, তাকে কোলে নিলে বা তার সাথে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণেও কিছু রোগ সরাসরি ছড়াতে পারে। বিড়ালের ত্বক, লালা, চোখ বা কানের স্রাব এবং লোমের সরাসরি সংস্পর্শ থেকে মানুষের শরীরে নিচের রোগগুলো বাসা বাঁধতে পারে: দাদ বা রিংওয়ার্ম (Ringworm) এটি একটি অত্যন্ত সংক্রামক ফাঙ্গাল ইনফেকশন (ছত্রাকজনিত রোগ)। আক্রান্ত বিড়ালের গায়ের লোম বা ত্বক সরাসরি হাত দিয়ে স্পর্শ করলে এই ফাঙ্গাস মানুষের ত্বকে চলে আসে। এর ফলে মানুষের চামড়ায় গোল চাকার মতো লাল, খসখসে এবং তীব্র চুলকানিযুক্ত ক্ষত তৈরি হয়। ক্যাম্পাইলোব্যাক্টেরিওসিস (Campylobacteriosis) এটি একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। আক্রান্ত বিড়ালের শরীর বা মুখের লালা সরাসরি মানুষের হাতে লাগলে এবং সেই হাত না ধুয়ে খাবার খেলে এই ব্যাকটেরিয়া পেটে চলে যায়। এর ফলে তীব্র ডায়রিয়া, পেট কামড়ানো, বমি এবং জ্বর হতে পারে। সালমোনেলোসিস Salmonellosis-এটিও একটি অত্যন্ত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া। বিড়ালকে স্পর্শ করার পর হাত ভালো ভাবে পরিষ্কার না কোন খাবার খেলে এই ব্যাকটেরিয়া মানুষের পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ করে এবং টাইফয়েডের অনুরুপ রোগ স...

সাধের পোষা বিড়াল রোগ ছড়াচ্ছে না তো? বিড়ালের মল ও লোমের মাধ্যমে যেসব রোগ ছড়ায়

পৃথিবীতে মেনে হয় কম লোকই আছে, যারা বিড়াল ভালবাসে না। এই প্রাণীটির জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। এদের সুন্দর চেহারা ও আদুরে স্বভাব একমুহুর্তেই মানুষের মন ভালো করে ফেলে। কিন্তু এই ভালোবাসার বিপরীতে হতে পারে বড় রকম স্বাস্থ্যঝুঁকি, যা আমাদের অনেকেরই অজানা। অসতর্কতার কারণে আপনার আদরের প্রাণীটিই হতে পারে সাংঘাতিক কিছু ইনফেকশনের উৎস। সাধারণত, বিড়ালের মল ও লোমের মাধ্যমে যেসব রোগ ছড়ায়, সেগুলো সময় মত চিনতে না পারলে তা আপনার  শরীরে কঠিন স্বাস্থ্য সমস্যার সূষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে গৃহে বসবাসকৃত শিশু, বয়স্ক এবং গর্ভবতী নারীদের বেলাই এই ঝুঁকি আরও বেশি। আজকের অনুচ্ছেদে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করবো যে, বিড়ালের মল ও লোমের মাধ্যমে যেসব রোগ ছড়ায় মানুষের দেহে সেগুলো সম্পর্কে এবং কীভাবে সচেতনতার মাধ্যমে  আপনি ও আপনার পরিবার নিরাপদ থাকবেন। বিড়াল মল ও লোম (Hair/Fur) থেকে অসাবধানতার জন্য কিছু জটিল রোগ মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। নিচে এই রোগগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হলো: টক্সোপ্লাজমোসিস (Toxoplasmosis) এটি হচ্ছে বিড়ালের মল থেকে ছড়ানো সবচেয়ে ভয়ংকর রোগ। এই রোগটি মূলত ' টক্সোপ্লাজমা গোন্ডি ' (Toxoplasma ...

বিড়াল থেকে কোন রোগ ছড়ায়? জেনে নিন বিড়ালের মাধ্যমে ছড়ানো বিপজ্জনক রোগ ও প্রতিকার

  পোষা প্রাণী হিসেবে বিড়ালের অত্যন্ত জনপ্রিয়ত । এদের আকর্ষণীয় আচরণ এবং তুলতুলে নরম পশম মানুষের মানসিক চাপ দূর করতে ভাল ভূমিকা রাখ তে পারে । এছাড়া বিড়াল যেভাবে আমাদের একাকীত্ব দূর কর তে পারে, সেরকম অসচেতনতার জন্য এরা নানান রোগের কারণও হতে পারে। অনে কের মনেই একটি সাধারণ প্রশ্ন জাগে— বিড়াল থেকে কোন রোগ ছড়ায় ? আজকের অনুচ্ছেদে আমরা আলোচনা করব বিড়ালের মাধ্যমে মানুষের কোন কোন রোগ ছড়া য় এবং কীভাবে নিজেকে ও নিজের পরিবারকে বিপদমুক্ত রাখবেন। সাধারণত বিড়ালের লালা , মলমূত্র , পশম বা নখের আঁচ ড়ের ফলে মানুষের দেহে কিছু জটিল রোগ সংক্রমিত হতে পারে। যা ' জুনোটিক ডিজিজ ' (Zoonotic diseases) নামে পরিচিত । বিড়ালের কাম ড় বা আঁচ ড়ের ফলে কোন কোন রোগ ছড়ায় বিড়াল দেখতে শান্ত এবং সুন্দর হলেও এর কামড় বা আঁচড় কে অবহেলা করা একদমই উচিত নয়। বিড়ালের লালা , মুখে এবং নখে নানা রকমের ব্যাকটেরিয়া থাকে। সেজন্য বিড়াল কামড় দিলে বা গভীর আঁচড় দিলে তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা না নিলে বিপদজনক ইনফেকশন হতে পারে। বিড়ালের কামড় বা নখের আঁচড় থেকে যে সমস্ত রোগ ছড়ায় তা নিচে আলোচনা করা হল : ক্যাট স্ক্র্যাচ ড...

বিড়ালের ঠান্ডা লাগলে করণীয়: লক্ষণ, ঘরোয়া যত্ন ও ঔষধ

  বিড়াল আমাদের পরিবারের সদস্যের মতোই ভালবাসায় অংশিদার। সেজন্য তার সামান্য অসুস্থতাও আমাদের দুশ্চিন্তার বড় কারণ হয়ে দেখাদেয়। মৌসুম পরিবর্তন বা আবহাওয়ার হঠাত্ পরিবর্তনের কারণে মানুষের মতো বিড়ালেরও ঠান্ডা লাগাটা সাভাবিক। আজকের ব্লগে মাধ্যমে আমরা জানবো বিড়ালের ঠান্ডা লাগলে করণীয় কি, এর লক্ষণ এবং সঠিক চিকিৎসা সম্পর্কে। বিড়ালের ঠান্ডা লাগলে কিভাবে বুঝবো বিড়ালের ঠান্ডা, সাধারণত আপার রেসপিরেটরি ইনফেকশন বা URI নামে পরিচিত। কিছু শারীরিক ও আচরণগত পরিবর্তন দেখে বুঝতে পরা যায় যে বিড়ালের ঠান্ডা লেগেছে। নিচে লক্ষণগুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: ১. প্রধান শারীরিক লক্ষণ বিড়ালের ঠান্ডা লাগলে তার শারীরিক কিছু লক্ষ্যণ দেখে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন যে আপনার আদরের বিড়ালটি ঠান্ডায় আক্রান্ত। এসময় বিড়ালের মধ্যে আপনি যে সমস্ত লক্ষ্যণ দেখতে পাবেন সেগুলো নিম্নরুপ: হাঁচি ও কাশি: মানুষের মত বিড়ালেরও ঠান্ডা লাগলে হাঁচি-কাশি আসে। মানুষের মত বিড়ালের ক্ষেত্রেও হাঁচি ও কাশি হচ্ছে ঠান্ডা লাগার প্রধান লক্ষণ। চোখ ও নাক দিয়ে পানি পড়া: বিড়ালের ঠান্ডা লাগলে চোখ এবং নাক দিয়ে অঝুরে পানি বা আঠালো তরল (ডিসচার্জ) পড়তে থ...

ঘরে দেশি বিড়াল পুষছেন? জেনে নিন দেশি বিড়াল পালনের নিয়ম ও সঠিক যত্ন

রাস্তার পাশে বা ঝুপে-ঝাড়ে অবহেলায় পড়ে থাকা কোনো ক্ষুধার্ত দেশি বিড়ালের বাচ্চাকে বা বিড়ালবে ঘরে নিয়ে এসে, আশ্রয় দেওয়ার মাঝে যে পরম আনন্দ , তা অন্য কোথাও মিলবে না। একটুখানি ভালোবাসা এবং আদর- যত্ন পেলে , এই অবহেলিত দেশি বিড়ালগুলোই হয়ে উঠতে পারে আমাদের পরিবারের সবচেয়ে বিশ্বস্ত এবং আদরের সদস্য। অনেক মানুষ শখ করে দেশি বিড়াল ঘরে আনেন , কিন্তু সঠিক লালন-পালন পদ্ধতি নাজানার কারণে কিছুদিন পরই বিপাকে পড়ে যায় । আপনার আদরের লোমশ বিড়াল টির জীবন যেন সুন্দর ও নিরাপদ হয় , সেই জন্যেই আজকে আমরা দেশি বিড়াল পালনের নিয়ম গুলো এ টু জেড ( A-Z) সহজ ভাষায় আলোচনা করব। দেশি বিড়াল পালনের গুরুত্ব বিড়াল কেবল একটি মিষ্টি ও চঞ্চল প্রাণীই নয় , একে ঘরে লালন-পালনের পেছনে গভীর ধর্মীয় কারণ এবং কিছু সামাজিক কারণও রয়েছে। যুগ যুগ ধরে আমাদের সমাজে বিড়ালের উপস্থিতি অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখা গেছে। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ : আমাদের ইসলাম ধর্মে বিড়ালকে একটি পবিত্র ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আমাদের প্রিয় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিড়াল অত্যন্ত পছন্দ করতেন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রিয় সাহাবী হ...

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পুরুষ মাছই সন্তানের জন্ম দেয়, স্ত্রী নয়! সমুদ্রের বিস্ময় - সি হর্স

  নতুনকে দেখা আর জানার ইচ্ছা আমার অনেক দিনের। আমার ইচ্ছা দুনিয়ার সমস্ত প্রাণী সম্পর্কে জানব। হোক সে দুনিয়ার উপরে বা মাটির নিচের অথবা পানির নিচের। সে স্বপ্ন নিয়েই আমার পথ চলা। সে ধারাবাহিকতাই আজ জানব অফুরন্ত বিস্ময়ের ভিড়ে সবচেয়ে অদ্ভুত আর নজরকাড়া এক প্রাণী সম্পর্কে যার নাম সি হর্স ( Sea Horse ) বা সমুদ্রঘোড়া । প্রাণীটিকে আমি প্রথম দেখি একটি ভিডিওতে, আমার মনেই হয়নি এটি কোনো মাছ । এর বিচিত্র গ ঠ ন ও অদ্ভুত লাইফস্টাইল যুগ যুগ ধরে আমার মত বিজ্ঞানীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছে । সি হর্স - নামকরণের ইতিহাস সি হর্সের বৈজ্ঞানিক নাম হলো Hippocampus । শব্দটা শুনতে বেশ ভারী মনে হলেও এর উৎপত্তি কিন্তু দারুণ । প্রাচীন গ্রিক ভাষার দুটি শব্দ—‘ Hippos’ ( যার অর্থ ঘোড়া) এবং ‘ Kampos ’ ( যার অর্থ সমুদ্রের দানব) মিলেই তৈরি হয়েছে এই নাম । আসলে , এই মাছগুলোর মাথা , বাঁকানো ঘাড় আর মুখের সম্মুখভাগ দেখতে হুবহু ডাঙার তেজী ঘোড়ার মতো । প্রকৃতির এই অদ্ভুত মিলের কারণেই সাধারণ মানুষ ভালোবেসে এর নাম দিয়েছে ‘সমুদ্রঘোড়া’ । শুধু সাধারণ মানুষই নয় , প্রাচীন গ্রিক ও রোমান রূপকথাতেও এর রোমাঞ্চকর গল্প রয়েছে । পৌর...