খামারি ভাইদের জন্য সবচেয়ে আতঙ্কের একটি নাম হলো গবাদি পশুর ক্ষুরা রোগ। এটি একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ , যা খুব দ্রুত এক পশু থেকে অন্য পশুতে ছড়িয়ে পড়ে। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ না নিলে খামারের উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি পশুর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। আজকের আর্টিকেলে আমরা জানবো গরুর ক্ষুরা রোগ হলে করনীয কি এবং কীভাবে এই রোগ থেকে আপনার প্রিয় পশুকে মুক্ত রাখবেন। গবাদি পশুর ক্ষুরা রোগ বা এফএমডি খামারিদের জন্য এক বিরাট আতঙ্কের নাম। এটি অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে খামারের উৎপাদন যেমন লাটে ওঠে , তেমনি পশু মারা যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে। গরু , মহিষ , ভেড়া কিংবা ছাগলের মতো খুর থাকা পশুদের এই ক্ষুরা রোগ হয়ে থাকে। আমাদের দেশে সাধারণত শীত আসার মুখে আর বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় এই রোগের প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করে। রোগটি ধরলে গাভীর দুধ দেওয়া একপ্রকার বন্ধ হয়ে যায় , বলদ গরু দুর্বল হয়ে পড়ে আর ছোট বাছুরগুলো তো সহজেই মারা যায়। তাই লোকসান এড়াতে এই রোগ নিয়ে আগে থেকেই সচেতন হওয়া জরুরি। রোগ ছড়ানোর আসল কারণ অনেকেই মনে করেন এটি সাধারণ ...
নতুনকে দেখা আর জানার ইচ্ছা আমার অনেক দিনের। আমার ইচ্ছা দুনিয়ার সমস্ত প্রাণী সম্পর্কে জানব। হোক সে দুনিয়ার উপরে বা মাটির নিচের অথবা পানির নিচের। সে স্বপ্ন নিয়েই আমার পথ চলা। সে ধারাবাহিকতাই আজ জানব অফুরন্ত বিস্ময়ের ভিড়ে সবচেয়ে অদ্ভুত আর নজরকাড়া এক প্রাণী সম্পর্কে যার নাম সি হর্স ( Sea Horse ) বা সমুদ্রঘোড়া । প্রাণীটিকে আমি প্রথম দেখি একটি ভিডিওতে, আমার মনেই হয়নি এটি কোনো মাছ । এর বিচিত্র গ ঠ ন ও অদ্ভুত লাইফস্টাইল যুগ যুগ ধরে আমার মত বিজ্ঞানীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছে । সি হর্স - নামকরণের ইতিহাস সি হর্সের বৈজ্ঞানিক নাম হলো Hippocampus । শব্দটা শুনতে বেশ ভারী মনে হলেও এর উৎপত্তি কিন্তু দারুণ । প্রাচীন গ্রিক ভাষার দুটি শব্দ—‘ Hippos’ ( যার অর্থ ঘোড়া) এবং ‘ Kampos ’ ( যার অর্থ সমুদ্রের দানব) মিলেই তৈরি হয়েছে এই নাম । আসলে , এই মাছগুলোর মাথা , বাঁকানো ঘাড় আর মুখের সম্মুখভাগ দেখতে হুবহু ডাঙার তেজী ঘোড়ার মতো । প্রকৃতির এই অদ্ভুত মিলের কারণেই সাধারণ মানুষ ভালোবেসে এর নাম দিয়েছে ‘সমুদ্রঘোড়া’ । শুধু সাধারণ মানুষই নয় , প্রাচীন গ্রিক ও রোমান রূপকথাতেও এর রোমাঞ্চকর গল্প রয়েছে । পৌর...